
Marketing has evolved from creative campaigns into a technology-driven, data-centric profession, The Hans India reports. Employers now seek candidates who combine analytical skills, technological awareness, business understanding, and consumer empathy. Data literacy…
দ্য হ্যান্স ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিপণন ব্যবস্থা এখন সৃজনশীল প্রচারণার বদলে প্রযুক্তি ও ডেটা নির্ভর পেশায় রূপান্তরিত হয়েছে। নিয়োগকর্তারা এখন এমন প্রার্থী খুঁজছেন যাদের বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা, প্রযুক্তিগত সচেতনতা, ব্যবসায়িক বোধ ও গ্রাহক সম্পর্কে সমানুভূতি রয়েছে। ডেটা সাক্ষরতা এখন একটি প্রধান চাহিদা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের ড্যাশবোর্ড বিশ্লেষণ, প্রচারণার পরিসংখ্যান বোঝা এবং সেখান থেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও এই ক্ষেত্রটিকে বদলে দিচ্ছে, তাই দায়িত্বশীলভাবে এআই সরঞ্জাম ব্যবহারের কৌশল শেখা শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রযুক্তির উন্নতি সত্ত্বেও ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা অর্জনের জন্য যোগাযোগ ও গল্প বলার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের লেখা, উপস্থাপন এবং জনসমক্ষে কথা বলার দক্ষতা বৃদ্ধি করা উচিত। ইন্টার্নশিপ, ফ্রিল্যান্সিং বা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবহারিক পোর্টফোলিও তৈরি করা শুধুমাত্র অ্যাকাডেমিক ফলাফলের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। নিয়োগকর্তারা উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা এবং বাস্তব ক্ষেত্রে জ্ঞান প্রয়োগের দক্ষতা বেশি মূল্যায়ন করেন। দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য শিল্প খাতের প্রবণতা, গ্রাহকের আচরণ এবং নতুন মাধ্যমগুলো সম্পর্কে কৌতূহল থাকা অত্যাবশ্যক।
সাধারণত শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির পেছনে ছোটার পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে এক্ষেত্রে মৌলিক দক্ষতাগুলো অবহেলিত রয়ে যায়। ডেটা সাক্ষরতা ও এআই দক্ষতা জরুরি ঠিকই, কিন্তু মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো গল্প বলার ক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সার্টিফিকেটের চেয়ে বাস্তব কাজের পোর্টফোলিওই প্রার্থীদের আলাদা করে তুলবে। আসল পরীক্ষা হলো কলেজগুলো কত দ্রুত তাদের পাঠ্যক্রম আপডেট করছে, নাকি শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই এই ঘাটতি পূরণের দায়িত্ব নিতে হবে।
উৎস: thehansindia.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।