
A phantom Number 7 bus legend in North Kensington, West London, appears to predate the fatal 1934 road crash often linked to it. On June 12, 1934, 25-year-old Beaton died after his…
পশ্চিম লন্ডনের নর্থ কেনসিংটনের ৭ নম্বর ভৌতিক বাসের কিংবদন্তি ১৯৩৪ সালের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার বহু আগের বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৩৪ সালের ১২ জুন ক্যামব্রিজ গার্ডেন্স এবং সেন্ট মার্কস রোডের সংযোগস্থলে ২৫ বছর বয়সী বিটনের গাড়ি একটি রোলস-রয়েসের সঙ্গে ধাক্কা খেলে তিনি প্রাণ হারান। তার সঙ্গী মার্গারেট সিম আহত হয়েছিলেন। তদন্তে এটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় এবং রোলস-রয়েসের চালক জর্জ পিঙ্ককে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ইতিহাসবিদ জোনাথন মাইলসের গবেষণায় উঠে এসেছে যে ভৌতিক বাসের এই গল্প ১৯৩১ বা ১৯৩২ সাল নাগাদ শুরু হয়েছিল। পরবর্তী বর্ণনা অনুযায়ী গভীর রাতে উজ্জ্বল আলোয় ভরা একটি খালি দোতলা বাস হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে আবার মিলিয়ে যেত। বিটন এমন কোনো বাস দেখে গাড়ি ঘুরিয়েছিলেন তার কোনো সমসাময়িক প্রমাণ নেই। ৭ নম্বর রুটের বাস্তব অস্তিত্ব এই গল্পকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুললেও এর ঐতিহাসিক রুট পরবর্তী দাবির সঙ্গে সবসময় মেলে না।

এই নাটকীয় সংস্করণটি একটি পুরনো সড়ক দুর্ঘটনাকে অলৌকিক সতর্কবার্তা হিসেবে তুলে ধরে। আবার একে উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা স্থানীয় গল্পের বিবর্তনের বিষয়টি এড়িয়ে যায়। নথিপত্র অনুযায়ী এটি একটি দুর্ঘটনা এবং একটি পুরনো গুজব মাত্র কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়। রুটের পরিবর্তনের কারণে বাসের নম্বর নিয়েও যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। সবচেয়ে সহজ পরীক্ষার উপায় হলো এমন কোনো সমসাময়িক সাক্ষীকে খুঁজে বের করা যিনি ১৯৩৪ সালের দুর্ঘটনার আগে বা সেই সময় প্রকৃতই বাসটি দেখেছিলেন।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।