
The Allahabad High Court has ruled that a government employee’s promotion does not erase adverse entries from the earlier service record when compulsory retirement is considered. Justice Anish Kumar Gupta held that…
এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে সরকারি কর্মীর বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়টি বিবেচনার সময় পদোন্নতি আগের সার্ভিস রেকর্ডের কোনো প্রতিকূল মন্তব্য মুছে ফেলে না। বিচারপতি অনীশ কুমার গুপ্ত পর্যবেক্ষণে জানান যে সম্পূর্ণ সার্ভিস রেকর্ড খতিয়ে দেখা প্রয়োজন এবং সততা সংক্রান্ত একটিমাত্র নেতিবাচক মন্তব্যও বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
১৯৭৭ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়া মহম্মদ জামিল ওয়ার্সির দায়ের করা আবেদনটি আদালত খারিজ করেছে। ৫০ বছর বয়সে পারফরম্যান্স পর্যালোচনার পর ২০০৫ সালে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছিল। আদালত সুপ্রিম কোর্টের আগের বিভিন্ন রায়ের ভিত্তিতে জানিয়েছে যে পদোন্নতি পাওয়ার আগে কোনো প্রতিকূল এন্ট্রি থাকলেও তা একজন কর্মী চাকরির যোগ্য কি না তা নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক থেকে যায়।
পদোন্নতি পেলেই অতীতের সব দায় মুছে যায়, এমন ঢিলেঢালা ধারণা আদালতের এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে উল্টোদিকে, যেকোনো পুরনো সমালোচনা থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবসর নিতে হবে, এমন দাবিও সমান দায়িত্বজ্ঞানহীন। এই রায় অনুযায়ী পুরো রেকর্ড বিবেচনা করা জরুরি এবং বিশেষ করে সততা সংক্রান্ত মন্তব্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। কাজের আসল পরীক্ষা হলো স্ক্রিনিং কমিটি শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন রিপোর্টের ওপর ভিত্তি না করে সম্পূর্ণ সার্ভিস রেকর্ড বিশ্লেষণ করে যৌক্তিক মূল্যায়ন করেছে কি না।
সূত্র: livelaw.in
এই প্রতিবেদনটি এআই ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।