
The Allahabad High Court has ruled that land claims under Section 229B of the Uttar Pradesh Zamindari Abolition and Land Reforms Act must be decided by examining the complete chain of revenue…
এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে উত্তর প্রদেশ জমিদার উচ্ছেদ এবং ভূমি সংস্কার আইনের ২২৯বি ধারার অধীনে জমির দাবি মেটানোর সময় কেবল একটি বিচ্ছিন্ন এন্ট্রি নয় বরং রাজস্ব রেকর্ডের সম্পূর্ণ ধারা খতিয়ে দেখতে হবে। বিচারপতি অরুণ কুমার কান্তি কুমারের বিরুদ্ধে পূর্ববর্তী রায় খারিজ করেছেন। প্রতিরক্ষা কাজে ব্যবহারের জন্য তাদের গ্রাম অধিগ্রহণ করার পর কান্তি কুমারের পরিবার কৃষিজমি বরাদ্দ পেয়েছিল।
আদালত বলেছে যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বা জালিয়াতি প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ফসলি জুড়ে থাকা একটানা খতৌনি এন্ট্রিগুলো উপেক্ষা করা যাবে না। আদালত আরও বলেছে যে কেবল অন্য একজন বরাদ্দকারী পক্ষ না থাকার কারণে কোনো বিভাজন ডিক্রি প্রত্যাখ্যান করা যায় না যদি না এমন প্রমাণ থাকে যে বরাদ্দকারীর জমি কুমারের ভাগের অংশ ছিল। সিআরপিসির ১৪৫ ধারার অধীনে কার্যক্রম কেবল দখল নির্ণয় করে কিন্তু মালিকানা বা প্রজাস্বত্ব অধিকার নয়।
এই বিষয়ে আলসেমির দৃষ্টিভঙ্গি হয় পুরনো রাজস্ব এন্ট্রিগুলোকে প্রশ্নাতীত মালিকানার দলিল হিসেবে গণ্য করবে অথবা সেগুলোকে কেবল করণিক কাগজপত্র হিসেবে উড়িয়ে দেবে। আদালত আরও সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে। এই ধরনের রেকর্ড নিজে থেকেই মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে না কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী এন্ট্রিগুলো এমন একটি অনুমান তৈরি করে যা প্রমাণের মাধ্যমে খণ্ডন করতে হয়। এটি প্রতিটি খতৌনি এন্ট্রিকে চূড়ান্ত না করেই প্রকৃত বরাদ্দ দাবিগুলোকে রক্ষা করে। ব্যবহারিক পরীক্ষাটি হলো কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারে কি না যে কোনো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ তা বাতিল করেছে কিংবা জালিয়াতি প্রমাণিত হয়েছে অথবা বিরোধপূর্ণ প্লটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী দাবির সংযোগকারী বিশ্বাসযোগ্য কোনো রেকর্ড আছে কি না।
উৎস: livelaw.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্য নিয়ে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।